হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ১ মাসে সারাদেশে ১৯৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৩২ ও হাম সন্দেহে ১৬৬ শিশুর। একই সময় হাম ও হামের
হামের প্রাদুর্ভাব রোধে রাজনীতিবিদদের ঘরে ঘরে গিয়ে টিকার তথ্য দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কড়াইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হাম রুবেলা
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিত ও লক্ষণ নিয়ে মোট ১৬৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে
হামের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সরকার ১৪ দিন এগিয়ে এনে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ১ হাজার ২৩৬ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায়
দেশের সব জেলা ও উপজেলায় আগামী ৩ মে থেকে একযোগে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোববার (৫ এপ্রিল) নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে হামের টিকা সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। হামের সংক্রমণ হঠাৎ বাড়লেও সরকার তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানান তিনি। আজ (সোমবার)
দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমশ মহামারির রূপ ধারণ করছে। রাজধানীসহ সারা দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এই সংক্রামক রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। হঠাৎ রোগীর চাপে হাসপাতালগুলো চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে,
সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে সিরডাপ মিলনায়তনে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত
রাজধানীসহ সারাদেশে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। জলপথ ও স্থলপথ-দুই দিক থেকেই একযোগে মশক নিধন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত