বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে উৎসব আয়োজন ঘিরে সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) একেএম শহিদুর রহমান। রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে রমনা বটমূলসহ নববর্ষ উৎসবে
পারমাণবিক কর্মসূচি ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘ইতিবাচক’ ও ‘গঠনমূলক’ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সরাসরি নয়, বরং ওমানের মধ্যস্থতায় বার্তা বিনিময়ের মাধ্যমে হয়েছে। ওমানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ ওয়াই রামাদান, বাংলাদেশের জনগণের প্রতি ফিলিস্তিনের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, ঢাকার ‘মার্চ ফর গাজা’ সমাবেশ ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। তিনি বলেন, এই সমাবেশ প্রজন্মের
সুদানে আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) হামলায় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দারফুর অঞ্চলে দুর্ভিক্ষপীড়িত বাস্তুচ্যুত লোকজনের ওপর দুদিনের হামলায় ২০ শিশু এবং নয়জন সাহায্য
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। রোববার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়ের জন্য ঢাকাসহ দেশের ১২টি অঞ্চলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ
আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পয়লা বৈশাখ উদযাপনের লক্ষ্যে রাজধানীতে ট্রাফিক মেনে চলার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার (১২ মার্চ) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা
ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের গোড্ডায় নির্মিত আদানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি হওয়ায় লোডশেডিং বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও শান্তি কামনায় ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে। মোনাজাতে অংশ নেওয়া লাখো মানুষের চোখে ছিল অশ্রু। ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলা, শিশু ও নারীদের মৃত্যু, ধ্বংসস্তূপে
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশের ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। শনিবার (১২ এপ্রিল) ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শুরু
রোদে পুড়ে, ঘামে ভিজে, গলা ফাটিয়ে শত শত মানুষ স্লোগান দিচ্ছেন ‘তুমি কে আমি কে, ফিলিস্তিন ফিলিস্তিন’। চারপাশে শোভা পাচ্ছে লাল-সবুজ আর সাদা-কালো রঙের পতাকা। অনেকের হাতে রয়েছে ‘ফিলিস্তিন মুক্ত