শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড

বাংলাপোস্ট
  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফকির মো. জাহিদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস কারাভোগ করতে হবে। তার অর্জিত অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুই ধারার সাজা একটির পর একটি চলবে। এক্ষেত্রে তার ২০ বছরের কারাভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করেছের বিচারক। সম্রাট পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এর আগে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ৯ ফেব্রুয়ারি এ মামলা রায়ের পর্যায়ে আসে। সেদিন দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর নুরে আলম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি হয়নি।

গত বছরের ১৭ জুলাই এ মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

উল্লেখ্য, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাটকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়ার পর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ওই বছরের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তাতে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। সেখানে সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

আরো
© All rights reserved ©
Developer Design Host BD